নোটিশ বোর্ড

সেবার মানের দৃশ্যমান উন্নয়ন সাধনের...

Background The Management Information System (MIS) unit of the Directorate General of Health Services (DGHS) has launched a...

  • 05-02-19-PM-MOHFW
  • EmONC Award Giving Ceremony 2019
  • IMG-20191107-WA0000
  • 07-04-19-health-ministers-award-2018
  • 22-06-19-of-opening-vitam
  • 11-04-19-MHWPGM
  • 09-04-19-CRVS-D4H-Metting
  • 12-02-19-Big Data Conferenc
  • PM 2 new
  • 6 1
  • 5 3
  • 1
  • 2
  • 4 2
  • Untitled-11
  • Health Batayan 27 12 2015
  • গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন
  • জাতীয় মাতৃস্বাস্থ্য কৌশলপত্র ২০১৯-২০৩০ ও মাতৃস্বাস্থ্যের পরিচালনার এসওপি প্রচারণা ও মোড়ক উন্মোচন এবং ইএমওএনসি-র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০১৯
  • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৮-২০১৯ এর ফলাফল প্রকাশিত।
  • স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় পুরষ্কার ২০১৮ বিজয়ীগণ
  • ২২ জুন, ২০১৯ মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন। এ বছর সারাদেশে ১ লাখ ৪০ হাজার কেন্দ্রের মাধ্যমে ৬-৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
  • ১১ই এপ্রিল ২০১৯ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী-এর সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কৌশলপত্র প্রণয়ন সংক্রান্ত ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় প্রধান অতিথি মিস সায়মা ওয়াজেদ হোসেন
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এ মাননীয় মহাপরিচালক মহোদয়ের সাথে CRVS D4H প্লানিং মিটিং
  • ১১-১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত দুইদিনব্যাপী ‘বিগ ডাটা ফর হেলথ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন
  • কক্সবাজারে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনকালে, মাদার অফ হিউম্যানিটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মায়ানমার থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদকৃত নাগরিকদের পাশে।
  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আইসিটি টেকসই উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫ গ্রহণ
  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ, ২০১৫ এর পুরস্কার গ্রহণ
  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক জাতিসংঘ এমডিজি পুরস্কার, ২০১০ গ্রহণ
  • স্বাস্থ্য তথ্য প্রযুক্তিতে বিশেষ অবদানের জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আইসিটি ফর হেলথ, ২০১১ পুরস্কার গ্রহণ
  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে উদ্ভাবণী নীতি শীর্ষক পুরস্কার, ২০১৪ গ্রহণ করেন তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়
  • ইন্টার-কান্টি কনফারেন্স অন মেজারমেন্ট এন্ড অ্যাকাউন্টটিবিলিটি ফর হেলথ (MA4Health)
  • ১৬২৬৩ তে কল করুন। এই নম্বরে কল করে দিন রাত ২৪ ঘন্টা ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

এইচপিএনএসডিপি ২০১১-১৬-এর আওতায় চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি কর্মসূচী

সরকার চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে নুতন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫ বছর মেয়াদী উন্নয়ন কর্মসূচী “স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর উন্নয়ন কর্মসূচী ২০১১-১৬”-এর আওতায় “হেলথ ইনফরমেশন সিসটেম এ্যান্ড ই-হেলথ” অপারেশনাল প্লানের একটি কর্মসূচী “চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি”। 

এই প্রযুক্তি জীব প্রযুক্তির একটি অন্যতম শাখা। জীব প্রযুক্তি বর্তমান সময়ের আধূনিকতম বিজ্ঞান ও সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র যা কর্মসংস্থান ও দারিদ্র দূরীকরণে প্রভূত ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি জনগণের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টির অব্যাহত টেকসই উন্নয়নে নুতন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। জীব প্রযুক্তির সম্ভাবনা যেমন আছে – সঠিক ব্যবহারের অভাবে তেমনি স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবেশের উপর এর ক্ষতিকর প্রভাবের আশংকাও রয়েছে। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে চিকিৎসা, কৃষি ও গবাদিপশুজাত অনেক জীব প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবহার শুরু হয়েছে। অধিকাংশই উপকারী। আর কিছু কিছু অপকারীও হতে পারে। কাজেই জেনে শুনে ব্যবহার করা বাঞ্চনীয়। সব কিছু বিবেচনায় আমাদের কাউকে চিকিৎসা ও অন্যান্য জীব প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যাতে সুফলটুকু ঘরে তোলা যায়। কাউকে নিজে জেনে অন্যদের সচেতন করতে হবে। আর সবাইকে নিদেন পক্ষে জানতে হবে কি কি জীব প্রযুক্তিজাত পণ্যের সংস্পর্শে আসছি এবং সেগুলো ব্যবহারের ভালোমন্দ দিক কি। এ সবই চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি কর্মসূচীর অংশ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বাস্তবায়নের জন্য একটি জাতীয় গাইডলাইন তৈরি করেছে যা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

 

চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি কর্মসূচীর ৫ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার উদ্দেশ্য নিম্নরূপঃ

 

  1. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি সংক্রান্ত জাতীয় গাইডলাইনে বর্ণিত স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করা;
  2. উক্ত জাতীয় গাইডলাইনে বর্ণিত দীর্ঘ মেয়াদী নিদের্শনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করা।

 

স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী নির্দেশনাগুলো হলোঃ

 

  1. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন;
  2. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিদ্যমান অবস্থা পর্যালোচনা;
  3. সেনসিটাইজেশন, অবহিতকরণ প্রশিক্ষণ/কর্মমালা অয়োজন, মেডিকেল কারিকুলামে চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয় অন্তর্ভূক্তকরণ, চিকিৎসা পাঠাগুলোতে চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ক বই-পুস্তক বাড়ানো, চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ক কোর্স/ প্রশিক্ষণ চালু করা;
  4. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা সৃষ্টি;
  5. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা;
  6. জাতীয় জীব প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে পৃথক বিভাগ খোলা;
  7. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে উদ্যোক্তা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে যোগাযোগ সৃষ্টি ও বৃদ্ধি করা;
  8. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা; ও
  9. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে স্টান্ডার্ডস, কোডস অফ প্রাকটিস, নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

 

দীর্ঘ মেয়াদী (২৫ বছরে অর্জনযোগ্য) নির্দেশনাগুলো হলোঃ

 

  1. বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার মত চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি উদ্যোগ ও অবকাঠামো সৃষ্টি;
  2. দেশে বিদ্যমান চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি শিল্প প্রতিষ্ঠান, গবেষনাগার ও পরিসেবাকে বিশ্ব মানে উন্নীত ও পরিচালনা করা;
  3. স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপননের জন্য চিকিৎসা জীব প্রযুক্তিজাত পণ্য ও সেবা উৎপাদন করা; ও
  4. চিকিৎসা জীব প্রযুক্তি বিষয়ে বিশ্ব মানের শিক্ষা ব্যবস্থা ও গবেষনা ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা যাতে স্বদেশ ও বিদেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়; ও
  5. এ বিষয়ে যথাযথ নেতৃত্ব, তদারকি ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা।