টেলিমেডিসিন সেবা

 

দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৮টি হাসপাতালে উন্নত মানের টেলিমেডিসিন সেবা চালু আছে। শীগগীরই যুক্ত হচ্ছে আরও ১০টি হাসপাতাল এই সেবা চালুর ফলে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা আধূনিক মানের টেলিমেডিসিন পদ্ধতিতে বিশেষায়িত হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারছেন।এছাড়া প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ ও ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ওয়েব ক্যামেরা প্রদান করা হয়েছে। ফলে নিম্ন পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীদের জন্য উচ্চ পর্যায়ের হাসপাতালসমূহে কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

কমিউনিটি ক্লিনিকে টেলিমেডিসিন সেবা চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে

ইতিমধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওয়েব ক্যামেরাযুক্ত মিনি ল্যাপটপ কম্পিউটার সরবরাহ করা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে সাড়ে হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে ল্যাপটপ সরবরাহ করা হয়েছে। গত জুন ২০১৩-তে আরও ১২,৪৭১টি ল্যাপটপ সংগ্রহের জন্য ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে যা অক্টোবর ২০১৩ নাগাদ এসে পৌছাবে। ফলে দেশের সব ইউনিয়িন স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ সবগুলো কমিউনিটি ক্লিনিকে ল্যাপটপ পৌঁছে দেয়া হবে। এসব মিনি ল্যাপটপে তারহীন ইন্টারনেট সংযোগ থাকছে।টেলিমেডিসিন সেবা প্রদানের কাজে ল্যাপটপগুলো ব্যবহার করা হবে। যেসব রোগীর চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার প্রয়োজন হবে, সেসব রোগীর জন্য ভিডিও কনফারেন্স চালু করে উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসকের অভাব পূরণ করা যাবে।

ল্যাপটপগুলো গ্রামীন জনগণের স্বাস্থ্য শিক্ষার কাজেও ব্যবহার করা হবে। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সংক্রামক ব্যাধির প্রকোপ বেড়েছে। মাঝে মাঝে কিছু সংক্রামক ব্যাধি প্রাণ সংহারী মহামারী হিসেবে দেখা দেয়। তখন জনগণকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরী সচেতনতামূলক তথ্য প্রদান করা অতি আবশ্যক হয়ে পড়ে। পাওয়ার পয়েন্ট, বক্তব্য, ভিডিও ক্লিপ এ ধরণের স্বাস্থ্য শিক্ষামূলক মেসেজ তৈরি করে তখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে বিতরণ করা যাবে এবং জনগণের সামনে প্রদর্শন করা যাবে। স্বাস্থ্য সম্মত জীবন যাপন, নিরাপদ পানি, সেনিটেশন, পুষ্টি ইত্যাদি সকল বিষয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিভিন্ন তথ্যও সহজেই বিতরণ হবে এই চ্যানেলে। গ্রামীন জনগণের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ভান্ডারও আপডেট করা হবে এই ল্যাপটপগুলো দিয়ে।

ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে টেলিমেডিসিন সেবা দেয়া হচ্ছে

দেশের ২২টি ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রেও টেলিমেডিসিন সেবা দেয়া হচ্ছে স্কাইপে ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবহার করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগে বসে চিকিৎসকগণ বিনামূল্যে প্রতি কর্ম দিবসে এই সেবা দিচ্ছেন।

এক নজরে টেলিমেডিসিন সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের তালিকা

 

এসএমএস-এর মাধ্যমে অভিযোগ-পরামর্শ জানানোর ব্যবস্থা

 

নাগরিকগণ এখন যে কোন সরকারী হাসপাতালের সেবার মানের ব্যাপারে অভিযোগ বা পরামর্শ জানাতে পারেন তাৎক্ষণিক। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করে। কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থাও নেন তাড়াতাড়ি।

মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য সেবা

 

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নাগরিকগণ এখন সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসকের কাছ থেকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ নিতে পারছেন। সেজন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে (মোট ৪৮২টি হাসপাতাল)